শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
করোনাভাইরাসের চতুর্থ ঢেউয়ের মধ্যে সরকার আবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিলেও কেউ মানছে না। বেশিরভাগ রাজধানীবাসীর এখনও রয়েছে উদাসীনতা। এই উদাসীনতাই বিপদে ফেলতে পারে যে কাউকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে পশুর হাট, শপিংমল, গণপরিবহন সবখানে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। এসব জায়গায় বেশির ভাগ মানুষই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। মাস্ক পরছেন না। যারা পরছেন তাদের কারও থুতনিতে ঝুলানো, কেউবা হাতে রেখে দিয়েছেন, কেউবা গলায়, আবার কেউ কানে ঝুলিয়ে রেখেছেন। কোরবানির পশুর হাটে বেশিরভাগ মানুষ মাস্ক ছাড়াই ঘোরাফেরা করছেন।
এ অবস্থায় সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। তা না হলে সংক্রমণ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। একই সঙ্গে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোসহ সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
দেশে করোনা প্রতিরোধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মাস্ক পরিধানসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে ৬ নির্দেশনা দিয়েছে। আর মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে ৯টি নির্দেশনা মানতে জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এ ছাড়াও গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে কোরবানির হাটের বিষয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এতে ১৬টি নির্দেশনা পালনের কথা বলা হয়েছে। পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ঢাকার দুই সিটির পক্ষ থেকেও কড়াকড়ি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে সর্বত্রই উদাসীনতা দেখা গেছে।